100+ রবীন্দ্রনাথের ক্যাপশন – Rabindranath Tagore quotes in Bengali

হ্যালো বন্ধুরা! সবাই কেমন আছেন? আশা করি ভালো । আজ আমি তোমাদের সাথে শেয়ার করতে যাচ্ছি রবীন্দ্রনাথের ক্যাপশন । আপনারা যারা রবীন্দ্রনাথের ক্যাপশন খুঁজে থাকেন তাদের জন্য রবীন্দ্রনাথ এর কিছু সেরা ১০০+ ক্যাপশন নিয়ে আপনাদের মাঝে হাজির হলাম । 

Rabindranath Tagore quotes in Bengali



আপনাকে অভিনন্দন জানাচ্ছি আমাদের Gdn8Lyrics.Com ওয়েবসাইটে ।  আপনারা যারা রবীন্দ্রনাথের ক্যাপশন গুগলে লিখে সার্চ করে যাচ্ছেন তাদের জন্য কিছু সেরা বাংলা ক্যাপশন নিয়ে হাজির হলাম । চলুন শুরু করা যাক । 

রবীন্দ্রনাথের ক্যাপশন 

১। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় দূরত্ব কোনটি জানো? নাহ, জীবন থেকে মৃত্যু পর্যন্ত, উত্তরটা সঠিক নয়। সবচেয়ে বড় দূরত্ব হলো যখন আমি তোমার সামনে থাকি, কিন্তু তুমি জানো না যে আমি তোমাকে কতটা ভালোবাসি। – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর


২। আমি তোমাকে অসংখ্য ভাবে ভালবেসেছি, অসংখ্যবার ভালবেসেছি, এক জীবনের পর অন্য জীবনেও ভালবেসেছি, বছরের পর বছর, সর্বদা, সবসময়। – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর


৩। বসন্তকালের ঝড়ে যখন রাশি রাশি আমের বোল ঝরিয়া পড়ে তখন সে বোলগুলি কেবলই মাটি হয়, তাহা হইতে গাছ বাহির হইবার কোনো সম্ভাবনা থাকে না। তেমনি দেখা গেছে, সংসারে উপদেশের বোল অজস্র বৃষ্টি হয় বটে, কিন্তু অনেক স্থলেই তাহা হইতে অঙ্কুর বাহির হয় না, সমস্ত মাটি হইতে থাকে। – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর


৪। যখন তুমি সত্য কথা বলবার জন্য নিন্দা কর না, কেবল নিন্দা করবার জন্য সত্য কথা বল, তখন তোমার সে সত্য কথা নীতির বাজারে মিথ্যা কথার সমান দরেই প্রায় বিক্রি হবে । – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর


৫। যুক্তির একটা ব্যাকরণ আছে, অভিধান আছে, কিন্তু আমাদের রুচির অর্থাৎ সৌন্দর্যজ্ঞানের আজ পর্য্যন্ত একটা ব্যাকরণ তৈয়ারি হইল না। তাহার প্রধান কারণ, সে আমাদের হৃদয়ের মধ্যে নির্ভয়ে বাস করিয়া থাকে – এবং সে দেশে “কেন” – আদালতের ওয়ারেন্ট জারি হইতে পারে না। – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর


৬। সামনে একটা পাথর পড়লে যে লোক ঘুরে না গিয়ে সেটা ডিঙ্গিয়ে পথ সংক্ষেপ করতে চায় – বিলম্ব তারই অদৃষ্টে আছে। – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর


৭।  এসো, এসো, এসো হে বৈশাখ তাপসনিশ্বাসবায়ে মুমূর্ষুরে দাও উড়ায়ে, বৎসরের আবর্জনা দূর হয়ে যাক  যাক পুরাতন স্মৃতি, যাক ভুলে যাওয়া গীতি, অশ্রুবাষ্প সুদূরে মিলাক। মুছে যাক গ্লানি, ঘুচে যাক জরা, অগ্নিস্নানে শুচি হোক ধরা । – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর


৮। ভালোবাসা যেখানে গভীর, নত হওয়া সেখানে গৌরবের। – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর


৯। অবাধ্য যার স্ত্রী, জীবন তার দুর্বিষহ। – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর


১০। বোবার শত্রু নেই একথা যে বলেছিলো, সে নিশ্চই অবিবাহিত ছিলো। – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর


১১। প্রেমের আনন্দ থাকে স্বল্পক্ষণ, কিন্তু বেদনা থাকে সারাটি জীবন। – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর


১২। তুমি যদি কাউকে ভালোবাস,তবে তাকে ছেড়ে দাও।যদি সে তোমার কাছে ফিরে আসে,তবে সে তোমারই ছিল।আর যদি ফিরে না আসে,তবে সে কখনই তোমার ছিল না। – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর


১৩। পরস্পর পরস্পরের জুলুম ঘাড় পেতে বহন করবে, এইজন্য তো বিবাহ । – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর


১৪। স্ত্রীর সঙ্গে বীরত্ব করে লাভ কি? আঘাত করলেও কষ্ট, আঘাত পেলেও কষ্ট। – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর


১৫। প্রহর শেষের আলোয় রাঙা সেদিন চৈত্রমাস, তোমার চোখে দেখেছিলেম আমার সর্বনাশ। – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর


১৬। মেয়েরা অল্প কারণে কাদতে জানে এবং বিনা কারণে হাসতে পারে, কারণ ব্যতীত কার্য হয় না, জগতের এই কড়া নিয়মটা কেবল পুরুষের পক্ষেই খাটে । – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর


১৭। শিমুল কাঠই হোক আর বকুল কাঠই হোক, আগুনের চেহারাটা একই । – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর


১৮। প্রেম মানুষ কে শান্তি দেয়। কিন্তু স্বস্তি দেয় না। প্রেমের মধ্যে ভয় না থাকলে প্রেমের রস নিবিড় হয় না। – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর


১৯। নাম মানুষকে বড় করে না, মানুষই নাম কে জাগিয়ে তোলে। – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর


২০। আলো বলে, অন্ধকার তুই বড় কালো অন্ধকার বলে, ভাই তাই তুমি আলো। – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর


২১। ঠিক সময়ে ঠিক কাজ করিতে কাহারও মনে পড়ে না, তাহার পরে বেঠিক সময়ে বেঠিক বাসনা লইয়া অস্থির হইয়া মরে। – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর


২২। সেই ছেলেকে জীবন সঙ্গী করো, যার ভবিষ্যৎ ভালো। সেই মেয়েকে জীবন সঙ্গিনী করো, যার অতীত ভালো – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর


২৩। আত্মপর ধনিদরিদ্র পণ্ডিতমূর্খ এই জগতে একই প্রেমের দ্বারা বিধৃত হইয়া আছে, ইহাই পরম সত্য—এই সত্যেরই প্রকৃত উপলব্ধি পরমানন্দ। উৎসবদিনের অবারিত মিলন এই উপলব্ধিরই অবসর। যে ব্যক্তি এই উপলব্ধি হইতে একেবারেই বঞ্চিত হইল, সে ব্যক্তি উন্মুক্ত উৎসবসম্পদের মাঝখানে আসিয়াও দীনভাবে রিক্তহস্তে ফিরিয়া চলিয়া গেল। – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর


২৪।  সমাজ সংসার মিছে সব, মিছে এ জীবনের কলরব। কেবলই আঁখি দিয়ে আঁখির সুধা পিয়ে হৃদয় দিয়ে হৃদি অনুভব – আঁধারে মিশে গেছে আর সব। – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর


২৫। পৃথিবীতে সকলের চেয়ে বড়ো জিনিস আমরা যাহা কিছু পাই তাহা বিনামূল্যেই পাইয়া থাকি , তাহার জন্য দরদস্তুর করিতে হয় না । মূল্য চুকাইতে হয় না বলিয়াই জিনিসটা যে কত বড়ো তাহা আমরা সম্পূর্ণ বুঝিতেই পারি না । – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

২৬। তোর আপন জনে ছাড়বে তোরে ,
তা ব’লে ভাবনা করা চলবে না ।
ও তোর আশালতা পড়বে ছিঁড়ে ,
হয়তো রে ফল ফলবে না ।
আসবে পথে আঁধার নেমে , তাই ব’লেই কি রইবি থেমে–
ও তুই বারে বারে জ্বালবি বাতি ,
হয়তো বাতি জ্বলবে না । – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর


২৭। ছেলে যদি মানুষ করিতে চাই , তবে ছেলেবেলা হইতেই তাহাকে মানুষ করিতে আরম্ভ করিতে হইবে , নতুবা সে ছেলেই থাকিবে , মানুষ হইবে না । শিশুকাল হইতেই কেবল স্মরণশক্তির উপর সমস্ত ভর না দিয়া সঙ্গে সঙ্গে যথা পরিমাণে চিন্তাশক্তি ও কল্পনাশক্তির স্বাধীন পরিচালনার অবসর দিতে হইবে । – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর


২৮। জ্ঞানে প্রেমে অনেক প্রভেদ । জ্ঞানে আমাদের ক্ষমতা বাড়ে , প্রেমে আমাদের অধিকার বাড়ে । জ্ঞান শরীরের মত , প্রেম মনের মত । জ্ঞান কুস্তি করিয়া জয়ী হয় , প্রেম সৌন্দর্য্যের দ্বারা জয়ী হয় । জ্ঞানের দ্বারা জানা যায় মাত্র , প্রেমের দ্বারা পাওয়া যায় । জ্ঞানেতেই বৃদ্ধ করিয়া দেয় , প্রেমেতেই যৌবন জিয়াইয়া রাখে । জ্ঞানের অধিকার যাহার উপরে তাহা চঞ্চল , প্রেমের অধিকার যাহার উপরে তাহা ধ্রুব । জ্ঞানীর সুখ আত্মগৌরব-নামক ক্ষমতার সুখ , প্রেমিকের সুখ আত্মবিসর্জ্জন-নামক স্বাধীনতার সুখ । – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর 


২৯। পৃথিবীর চারি দিকে দেয়াল , সৌন্দর্য্য তাহার বাতায়ন । পৃথিবীর আর সকলই তাহাদের নিজ নিজ দেহ লইয়া আমাদের চোখের সম্মুখে আড়াল করিয়া দাঁড়ায় , সৌন্দর্য্য তাহা করে না —সৌন্দর্য্যের ভিতর দিয়া আমরা অনন্ত রঙ্গভূমি দেখিতে পাই । – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর 


৩০। কবিদিগকে আর কিছুই করিতে হইবে না , তাঁহারা কেবল সৌন্দর্য্য ফুটাইতে থাকুন —জগতের সর্ব্ত্র যে সৌন্দর্য্য আছে তাহা তাঁহাদের হৃদয়ের আলোকে পরিস্ফুট ও উজ্জ্বল হইয়া আমাদের চোখে পড়িতে থাকুক , তবেই আমাদের প্রেম জাগিয়া উঠিবে, প্রেম বিশ্বব্যাপী হইয়া পড়িবে । – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর 


৩১।  সুন্দর আপনি সুন্দর এবং অন্যকে সুন্দর করে । কারণ , সৌন্দর্য্য হৃদয়ে প্রেম জাগ্রত করিয়া দেয় এবং প্রেমই মানুষকে সুন্দর করিয়া তোলে । – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর 


৩২। সহজ মানুষের সত্যটি সামাজিক মানুষের কুয়াশায় ঢেকে রেখে দেয় । অর্থাৎ আমরা নানা অবান্তর তথ্যের অস্বচ্ছতার মধ্যে বাস করি । শিশুর জীবনের যে সত্য তার সঙ্গে অবান্তরের মিশেল নেই । তাই, তার দিকে যখন চেয়ে দেখবার অবকাশ পাই তখন প্রাণলীলার প্রত্যক্ষ স্বরূপটি দেখি ; তাতে সংস্কারভারে পীড়িত চিন্তাক্লিষ্ট মন গভীর তৃপ্তি পায় ।  – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর 


৩৩। শুধু বিধাতার সৃষ্টি নহ তুমি নারী—
পুরুষ গড়েছে তোরে সৌন্দর্য সঞ্চারি
আপন অন্তর হতে বসি কবিগণ
সোনার উপমাসূত্রে বুনিছে বসন ।
সঁপিয়া তোমার ’পরে নূতন মহিমা
অমর করিছে শিল্পী তোমার প্রতিমা । – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর


৩৪। যে পাখির ডানা সুন্দর ও কণ্ঠস্বর মধুর তাকে খাঁচায় বন্দী করে মানুষ গর্ব অনুভব করে; তার সৌন্দর্য সমস্ত অরণ্যভূমির , এ কথা সম্পত্তিলোলুপরা ভুলে যায় । মেয়েদের হৃদয়মাধুর্য ও সেবানৈপুণ্যকে পুরুষ সুদীর্ঘকাল আপন ব্যক্তিগত অধিকারের মধ্যে কড়া পাহারায় বেড়া দিয়ে রেখেছে। মেয়েদের নিজের স্বভাবেই বাঁধন-মানা প্রবণতা আছে , সেইজন্যে এটা সর্বত্রই এত সহজ হয়েছে । – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর


৩৫। মানুষের প্রতি বিশ্বাস হারানো পাপ , সে বিশ্বাস শেষ পর্যন্ত রক্ষা করব । আশা করব, মহাপ্রলয়ের পরে বৈরাগ্যের মেঘমুক্ত আকাশে ইতিহাসের একটি নির্মল আত্মপ্রকাশ হয়তো আরম্ভ হবে এই পূর্বাচলের সূর্যোদয়ের দিগন্ত থেকে । আর-একদিন অপরাজিত মানুষ নিজের জয়যাত্রার অভিযানে সকল বাধা অতিক্রম করে অগ্রসর হবে তার মহৎ মর্যাদা ফিরে পাবার পথে । মনুষ্যত্বের অন্তহীন প্রতিকারহীন পরাভবকে চরম বলে বিশ্বাস করাকে আমি অপমান মনে করি । – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর


৩৬। মানুষের দেবতা মানুষের মনের মানুষ , জ্ঞানে কর্মে ভাবে যে পরিমাণে সত্য হই সেই পরিমাণেই সেই মনের মানুষকে পাই –অন্তরে বিকার ঘটলে সেই আমার আপন মনের মানুষকে মনের মধ্যে দেখতে পাই নে । মানুষের যত-কিছু দুর্গতি আছে সেই আপন মনের মানুষকে হারিয়ে, তাকে বাইরের উপকরণে খুঁজতে গিয়ে , অর্থাৎ আপনাকেই পর করে দিয়েছে । – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর


৩৭। ভালোবাসা অর্থে আত্মসমর্পণ করা নহে , ভালোবাসা অর্থে ভাল বাসা , অর্থাৎ অন্যকে ভালো বাসস্থান দেওয়া, অন্যকে মনের সর্ব্বাপেক্ষা ভালো জায়গায় স্থাপন করা । – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর


৩৮। স্ত্রী-পুরুষগত প্রেমের ন্যায় প্রবল শক্তি আর কিছু আছে কি না সন্দেহ । এই শক্তি ষোলো আনা মাত্রায় সমাজের কাজে লাগাইলে মানবসভ্যতা অনেকটা বল পায়। এই শক্তি হইতে বঞ্চিত করিলে সমাজের একটি প্রধান বল অপহরণ করা হয় । – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর


৩৯। রমণীর প্রেমের মধ্যে পরিতৃপ্তি আছে , বিশ্বাস আছে , নিষ্ঠা আছে , কিন্তু পুরুষের প্রেমের মধ্যে যে একটি চির অতৃপ্তিপূর্ণ অনির্বচনীয় সুখ আছে তাহা বোধ করি খুব অল্প রমণী উপভোগ করিয়াছে । – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর


৪০। প্রেমের ধর্ম এই , সে ছোটোকেও বড়ো করিয়া লয়। আর , আড়ম্বর-প্রিয়তা বড়োকেও ছোটো করিয়া দেখে । এই নিমিত্ত প্রেমের হাতে কাজের আর অন্ত নাই , কিন্তু আড়ম্বরের হাতে কাজ থাকে না । প্রেম শিশুকেও অগ্রাহ্য করে না, বার্ধক্যকে উপেক্ষা করে না , আয়তন মাপিয়া সমাদরের মাত্রা স্থির করে না ।  – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর


৪১। স্বার্থ আমাদের যে-সব প্রয়াসের দিকে ঠেলে নিয়ে যায় তার মূল প্রেরণা দেখি জীবপ্রকৃতিতে; যা আমাদের ত্যাগের দিকে , তপস্যার দিকে নিয়ে যায় তাকেই বলি মনুষ্যত্ব , মানুষের ধর্ম । – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

আর্টিকেলের শেষ কথাঃ রবীন্দ্রনাথের ক্যাপশন

আশা করি আর্টিকেলটি আপনাদের উপকারে এসেছে । আমাদের এই ওয়েবসাইটে এই ধরনের আর্টিকেল প্রতিনিয়ত প্রকাশ করা হচ্ছে । আপনি চাইলে আমাদের সাথে কানেক্টেড থাকতে পারেন । ধন্যবাদ 

Share this post with friends

See previous post See next post
No one has commented on this post yet
Click here to comment

Please comment according to Comment Policy. Every comment is reviewed by Author 😊

comment url